এবার রপ্তানি হবে গবাদী প্রাণীর ঘাস অর্জিত হবে বৈদেশিক মুদ্রা

গবাদী পশুর প্রধান খাদ্য হোল ঘাস। যে সকল খামারি বাণিজ্যিক ভাবে গবাদী পশু পালন করেন তারা সারা বছরের ঘাসের নিশ্চয়তার জন্য আলাদা জমিতে চাষ করেন ঘাসের। যাতে করে বর্ষা মৌসুমে গবাদি প্রাণীর খাবারের কোন সংকট না হয়।

অসময়ে মিলেনা গবাদী প্রাণীর ঘাস বা খড়। ফলে মজুদ না থাকলে বিপদে পড়েন খামারীরা। বাধভাঙ্গা বন্যায় ৩ বছর আগে, যেমনটায় পড়েছিলেন, কিশোরগঞ্জের হাওরবাসী। তাই খাবারের সংকটে বিক্রি করতে হয়েছিল তাদের গবাদীপ্রাণীগুলো।

অথচ মেশিনের মাধ্যমে ঘাস কেটে এবং শুকিয়ে, প্যাকিং করে সারা বছরের জন্য মজুদ রাখে উন্নত বিশ্বে।জমি থেকে খড় এবং ঘাস সংগ্রহে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক এই মেশিন। যেটি ১শ থেকে ৫শ কেজি ঘাস কেটে সেগুলোকে দলা শেষে পলিথিনে মোড়কজাত করে বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রির উপযোগী করছে কয়েক মিনিটেই।

এরপর সেগুলোকে রাখা হয় গুদাম ঘরে। যাদের প্রয়োজন তারা কিনে নিয়ে ব্যবহার করছেন প্রাণির খাদ্য হিসেবে।

অসময়ে, বিশেষ করে বর্ষা ও্র শীতের মৌসুমে যখন গবাদীপশুর খাবার সংকট হয়। তখন ব্যবহার করা হয় এই ঘাসের দলা। কয়েকযুগ ধরে এই পদ্ধতিতে ঘাস ও খড়, শুধু ঘোড়া এবং গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

আর এখন এসব খড় ও ঘাস ব্যবহৃত হচ্ছে কাঠের বিকল্প পার্টিক্যাল বোর্ড, টুথপিকসহ বিভিন্ন জিনিস উৎপাদনে।

পৃথিবীর অন্যতম খড় ও ঘাস রপ্তানিকারক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। গত ১০ বছরে দেশটির এই দলা পাকানো প্রাণিখাদ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ গুন । ২০১৯ সালে তারা ১ হাজার ৪শ মিলিয়ন ডলারের ঘাস রপ্তানি করে।

বাংলাদেশও ঘাস ও খড় শুধু পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহার না করে বা পুড়িয়ে না ফেলে রপ্তানির মাধ্যমে অর্জন করতে পারে কোটি কোটি বৈদেশিক মুদ্রা।

তথ্যসূত্রঃ চ্যানেল ২৪

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *